বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:২৬ভিডিও
পছন্দের টপিক পিন করে সাজিয়ে নিন
ব্রেকিং নিউজ

জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের সঙ্গে লংমার্চসহ বড় পরিসরের কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে। এই সময়ে মাঠপর্যায়ে দলটির নিজস্ব উদ্যোগে বড় সভা-সমাবেশ সেভাবে হয়নি। লংমার্চের রাজনীতির ‘ফসল’ আলাদা দল হিসেবে এনসিপির কতটা কাজে লাগছে, তা নিয়ে দলটিতে নানা মত রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যে থাকলেও পৃথক দল হিসেবে এনসিপি নিজেদের ‘স্বতন্ত্র পরিচয়’ ধরে রাখতে চায়। এরই অংশ হিসেবে ১১–দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগীয় লংমার্চের এক দিন আগে আগামীকাল শুক্রবার ঢাকার শাহবাগে গণবিক্ষোভ ডেকেছে। এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ উদ্যোগে এই বিক্ষোভ হবে। গণবিক্ষোভ সামনে রেখে ২৩ অক্টোবর থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণ করছে এনসিপি। এসব কর্মসূচিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নিয়েছেন। এসব কর্মসূচিতে তাঁদের ১১ দলের খুলনা অভিমুখী লংমার্চের পক্ষে কিছু বলতে দেখা যায়নি। চট্টগ্রাম ও রংপুরের পর আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর) খুলনা বিভাগে যাচ্ছে ১১ দলের লংমার্চের গাড়িবহর। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের লংমার্চে এনসিপির অংশগ্রহণ ‘প্রতীকী’ হয়ে উঠতে পারে। এর আগের দুটি লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক–সদস্যসচিবসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নিলেও এবার প্রতিনিধি হিসেবে দু–একজন যেতে পারেন। এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের একজন সদস্যের ভাষ্য, ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বিষয়টি জনপরিসরে জামায়াতের কর্মসূচি হিসেবে একধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে। খুলনায় যেতে পারেন সা

স্ব
প্রকাশ:বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২:৪০(১ ঘণ্টা আগে)
আপডেট:বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:১৪
২ মিনিট পাঠ
সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট:
ছবি: চিত্রা পোস্ট ব্রেকিং বার্তা কক্ষ
বাংলাদেশ
বড় করে দেখুন
ছবি: চিত্রা পোস্ট ব্রেকিং বার্তা কক্ষচিত্রা পোস্ট ভেরিফাইড

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের সঙ্গে লংমার্চসহ বড় পরিসরের কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে। এই সময়ে মাঠপর্যায়ে দলটির নিজস্ব উদ্যোগে বড় সভা-সমাবেশ সেভাবে হয়নি। লংমার্চের রাজনীতির ‘ফসল’ আলাদা দল হিসেবে এনসিপির কতটা কাজে লাগছে, তা নিয়ে দলটিতে নানা মত রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যে থাকলেও পৃথক দল হিসেবে এনসিপি নিজেদের ‘স্বতন্ত্র পরিচয়’ ধরে রাখতে চায়। এরই অংশ হিসেবে ১১–দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগীয় লংমার্চের এক দিন আগে আগামীকাল শুক্রবার ঢাকার শাহবাগে গণবিক্ষোভ ডেকেছে। এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ উদ্যোগে এই বিক্ষোভ হবে। গণবিক্ষোভ সামনে রেখে ২৩ অক্টোবর থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণ করছে এনসিপি। এসব কর্মসূচিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নিয়েছেন। এসব কর্মসূচিতে তাঁদের ১১ দলের খুলনা অভিমুখী লংমার্চের পক্ষে কিছু বলতে দেখা যায়নি। চট্টগ্রাম ও রংপুরের পর আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর) খুলনা বিভাগে যাচ্ছে ১১ দলের লংমার্চের গাড়িবহর। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের লংমার্চে এনসিপির অংশগ্রহণ ‘প্রতীকী’ হয়ে উঠতে পারে। এর আগের দুটি লংমার্চে এনসিপির আহ্বায়ক–সদস্যসচিবসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নিলেও এবার প্রতিনিধি হিসেবে দু–একজন যেতে পারেন। এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের একজন সদস্যের ভাষ্য, ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চের বিষয়টি জনপরিসরে জামায়াতের কর্মসূচি হিসেবে একধরনের ধারণা তৈরি হয়েছে। খুলনায় যেতে পারেন সা

সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট: