বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৪:০৩ভিডিও
পছন্দের টপিক পিন করে সাজিয়ে নিন

পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ১৫০ টন কাঁচা তামাক ঘিরে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এতে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানো আছে কি না, তা যাচাই করে দেখছেন কাস্টমস গোয়েন্দারা। চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে থাকা ১০ কনটেইনার তামাক থেকে নমুনা সংগ্রহ করে দেশের একাধিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে। কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সন্দেহের সূত্রপাত তামাকের প্রাথমিক পরীক্ষায়। তাঁদের ভাষ্য, সাধারণভাবে আগুন দিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে তামাকপাতায় সহজে আগুন ধরেনি। এ কারণে তামাকের সঙ্গে দৃশ্যমান নয়—এমন অন্য কোনো পদার্থ মেশানো আছে কি না, তা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহমেদ। রেজভী আহমেদ বলেন, ‘সাধারণ টেবিল টেস্টে এই তামাকপাতায় সহজে আগুন ধরছিল না। তাই এর মধ্যে অন্য কোনো ক্ষতিকর সাবস্ট্যান্স বা রাসায়নিক পদার্থ মেশানো আছে কি না, সে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। খালি চোখে এটি শনাক্ত করা সম্ভব নয়।’ রেজভী আহমেদ জানান, প্রতিটি কনটেইনার থেকে পর্যাপ্ত নমুনা সংগ্রহ করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন ও তদন্তে অবৈধ কিছু পাওয়া গেলে আমদানিকারকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বন্ড সুবিধায় এসেছে ১০টি কনটেইনার কুষ্টিয়ার গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড বন্ড সুবিধায় ১০ কনটেইনার কাঁচা তামাক আমদানি করেছে। চালানটি এসেছে পাকিস্তান থেকে। কাস্টমস গোয়েন্দার তথ্য অনুযায়ী, বাণিজ্যিক নথিতে দুবাইয়ের ‘টেট্রা ট্রেড এফজেডসিও’ এবং পাকিস্তানের ‘আলী লিফ ট্রেডার্স’-এর নাম রয়েছে। চালানটির

চিত্রা পোস্ট সম্পাদকীয় পরিষদ
প্রকাশ:বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১:৫০(২ ঘণ্টা আগে)
আপডেট:বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৩:১৫
২ মিনিট পাঠ
সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট:
ছবি: চিত্রা পোস্ট অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ
বড় করে দেখুন
ছবি: চিত্রা পোস্ট অনলাইন ডেস্কচিত্রা পোস্ট ভেরিফাইড

পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ১৫০ টন কাঁচা তামাক ঘিরে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এতে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মেশানো আছে কি না, তা যাচাই করে দেখছেন কাস্টমস গোয়েন্দারা। চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে থাকা ১০ কনটেইনার তামাক থেকে নমুনা সংগ্রহ করে দেশের একাধিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে। কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সন্দেহের সূত্রপাত তামাকের প্রাথমিক পরীক্ষায়। তাঁদের ভাষ্য, সাধারণভাবে আগুন দিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে তামাকপাতায় সহজে আগুন ধরেনি। এ কারণে তামাকের সঙ্গে দৃশ্যমান নয়—এমন অন্য কোনো পদার্থ মেশানো আছে কি না, তা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহমেদ। রেজভী আহমেদ বলেন, ‘সাধারণ টেবিল টেস্টে এই তামাকপাতায় সহজে আগুন ধরছিল না। তাই এর মধ্যে অন্য কোনো ক্ষতিকর সাবস্ট্যান্স বা রাসায়নিক পদার্থ মেশানো আছে কি না, সে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। খালি চোখে এটি শনাক্ত করা সম্ভব নয়।’ রেজভী আহমেদ জানান, প্রতিটি কনটেইনার থেকে পর্যাপ্ত নমুনা সংগ্রহ করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে পাঠানো হচ্ছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন ও তদন্তে অবৈধ কিছু পাওয়া গেলে আমদানিকারকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বন্ড সুবিধায় এসেছে ১০টি কনটেইনার কুষ্টিয়ার গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড বন্ড সুবিধায় ১০ কনটেইনার কাঁচা তামাক আমদানি করেছে। চালানটি এসেছে পাকিস্তান থেকে। কাস্টমস গোয়েন্দার তথ্য অনুযায়ী, বাণিজ্যিক নথিতে দুবাইয়ের ‘টেট্রা ট্রেড এফজেডসিও’ এবং পাকিস্তানের ‘আলী লিফ ট্রেডার্স’-এর নাম রয়েছে। চালানটির

সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট: