শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৬:২৯ভিডিও
পছন্দের টপিক পিন করে সাজিয়ে নিন

বিদেশে মার্কিনদের ওপর হামলার পরিকল্পনা ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইরানের হাতে কী কী ভয়ংকর অস্ত্র

ইরান যুদ্ধের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন কূটনীতিকদের অনেকে সপরিবার তড়িঘড়ি অন্যত্র চলে যান, সন্তানদের জন্য নতুন স্কুলের ব্যবস্থা করেন। ঝক্কি কাটিয়ে তাঁদের অনেকে আবার পরে কর্মস্থলে ফেরেন। এখন আবার তাঁদের চলে যেতে বলা হচ্ছে। কী এমন হলো যে যুক্তরাষ্ট্র এতটা সতর্ক অবস্থায় চলে গেল? বছরের শুরুর দিকে ইরান যুদ্ধ যখন তুঙ্গে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন দূতাবাস ও মিশন থেকে নিজেদের কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি তাঁরা নিজেদের দপ্তরে ফিরে কাজ খানিকটা গুছিয়ে নিচ্ছিলেন। তাঁদের আবার সরে যেতে বলা হয়েছে। একজন মার্কিন কূটনীতিক সিএনএনকে বলেছেন, ‘পরিস্থিতিকে (ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন দূতাবাস ও মিশনগুলোর কার্যক্রম) বিশৃঙ্খল বললেও সেটা কম বলা হবে।’ এ নিয়ে আমেরিকান ফরেন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএসএ) মুখপাত্র নিকি গেমার বলেছেন, ‘এ বছরের শুরুর দিকে পরিবারগুলো যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল, এবারও তারই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। কেউ কেউ ফিরে এসে সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার পরপরই আবার চলে যাওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন। তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই হতাশ, বিভ্রান্ত ও ক্ষুব্ধ।’ ২১ অক্টোবর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে একটি নির্দেশ জারি করে সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাস থেকে জরুরি নয়—এমন কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কারণ হিসেবে সৌদি আরবে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা বেড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধের শুরুর কয়েক সপ্তাহ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কারণ, সে সময় আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্ত

চিত্রা পোস্ট সম্পাদকীয় পরিষদ
প্রকাশ:শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ভোর ৪:৪০(১ ঘণ্টা আগে)
আপডেট:শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ভোর ৫:১৪
২ মিনিট পাঠ
সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট:
ছবি: চিত্রা পোস্ট অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ
বড় করে দেখুন
ছবি: চিত্রা পোস্ট অনলাইন ডেস্কচিত্রা পোস্ট ভেরিফাইড

ইরান যুদ্ধের শুরুর দিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন কূটনীতিকদের অনেকে সপরিবার তড়িঘড়ি অন্যত্র চলে যান, সন্তানদের জন্য নতুন স্কুলের ব্যবস্থা করেন। ঝক্কি কাটিয়ে তাঁদের অনেকে আবার পরে কর্মস্থলে ফেরেন। এখন আবার তাঁদের চলে যেতে বলা হচ্ছে। কী এমন হলো যে যুক্তরাষ্ট্র এতটা সতর্ক অবস্থায় চলে গেল? বছরের শুরুর দিকে ইরান যুদ্ধ যখন তুঙ্গে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন দূতাবাস ও মিশন থেকে নিজেদের কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি তাঁরা নিজেদের দপ্তরে ফিরে কাজ খানিকটা গুছিয়ে নিচ্ছিলেন। তাঁদের আবার সরে যেতে বলা হয়েছে। একজন মার্কিন কূটনীতিক সিএনএনকে বলেছেন, ‘পরিস্থিতিকে (ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন দূতাবাস ও মিশনগুলোর কার্যক্রম) বিশৃঙ্খল বললেও সেটা কম বলা হবে।’ এ নিয়ে আমেরিকান ফরেন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএসএ) মুখপাত্র নিকি গেমার বলেছেন, ‘এ বছরের শুরুর দিকে পরিবারগুলো যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছিল, এবারও তারই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। কেউ কেউ ফিরে এসে সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার পরপরই আবার চলে যাওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন। তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই হতাশ, বিভ্রান্ত ও ক্ষুব্ধ।’ ২১ অক্টোবর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে একটি নির্দেশ জারি করে সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাস থেকে জরুরি নয়—এমন কর্মী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কারণ হিসেবে সৌদি আরবে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা বেড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধের শুরুর কয়েক সপ্তাহ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কারণ, সে সময় আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্ত

সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট: