নির্ধারিত ১৮ মাসের মধ্যে দেশের প্রথম কারখানাটি চালুর যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, যাবতীয় প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত কাজ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সম্পন্ন হওয়ার পথে রয়েছে। এর ফলে দেশের শিল্প খাতে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং উৎপাদন সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রকল্পটির কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই নির্দিষ্ট সময়সীমা বজায় রাখতে প্রতিটি ধাপে কঠোর তদারকি রাখা হয়েছে। নির্মাণকাজ থেকে শুরু করে যন্ত্রপাতি স্থাপন এবং পরীক্ষামূলক উৎপাদনের প্রস্তুতি—সবকিছুই নিখুঁতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে কারখানাটিকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তোলা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে রপ্তানি বাণিজ্যেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নির্ধারিত সময়ে কারখানাটি চালু হলে স্থানীয় বাজারে পণ্যের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। হাজার হাজার তরুণের কর্মসংস্থান এবং পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতের অগ্রগতি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। উদ্যোক্তারাও তাদের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
কারখানা চালুর এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বড় বাধা বা দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে পরিচালনা পর্ষদ। সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে। এখন কেবল চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিকতা এবং উদ্বোধনের অপেক্ষা, যা খুব শীঘ্রই সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই প্রকল্প চালুর মাধ্যমে দেশের শিল্পায়ন প্রক্রিয়ায় একটি মাইলফলক অর্জিত হতে যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম এই কারখানার সফল চালুর পর আরও বেশ কিছু নতুন ইউনিট স্থাপনের কাজ শুরু হবে। এর মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের পরিসর আরও প্রসারিত হবে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

