শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৬:২৭ভিডিও
পছন্দের টপিক পিন করে সাজিয়ে নিন

ইউক্রেনে রাশিয়ার অবরোধ: খাদ্যনিরাপত্তার হুমকিতে বাংলাদেশের করণীয়

বিশ্বের ৭ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ যখন ক্ষুধার মুখে, তখন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শস্য পরিবহন পথ আবারও হামলার শিকার হচ্ছে। কৃষিপণ্য রপ্তানির জন্য কৃষ্ণসাগর, দানিয়ুব নদী ও স্থলপথ ব্যবহার করে ইউক্রেন। রাশিয়া এসব পথে ইউক্রেনের খাদ্য রপ্তানির সক্ষমতা বাধাগ্রস্ত করছে। দেশটির বন্দর, গুদাম, অভ্যন্তরীণ পরিবহনব্যবস্থা, পণ্যবাহী জাহাজ ও কৃষি অবকাঠামোয় পরিকল্পিত হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও সারের বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।  এটি অর্থনৈতিক ও মানবিক বাস্তবতা। ইউক্রেন থেকে শস্য রপ্তানি বন্ধ হলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমে যায়, দাম বাড়ে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলো।  এ বছরের আগস্টে ইউক্রেনে ফসল কাটার মৌসুম শুরু হওয়ার পর পরিবহন পথ ও রপ্তানি স্থাপনায় হামলার কারণে শস্য, তৈলবীজ ও অন্যান্য কৃষিপণ্য দেশের ভেতরেই আটকে পড়ে। সারশিল্পকে না বাঁচালে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না ২০২৫ সালের আগস্টের তুলনায় চলতি বছরের আগস্টে দেশটির শস্য রপ্তানি অর্ধেকে নেমে এসেছে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।  অক্টোবরের মধ্যে ইউক্রেনে কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জায়গার সংকট দেখা দিতে পারে। নভেম্বর নাগাদ শস্য, তৈলবীজ ও প্রক্রিয়াজাত পশুখাদ্যসহ ৯০ লাখ টনের বেশি কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জায়গার অভাবে বাইরে পড়ে থাকতে পারে। যে ফসল লাখ লাখ মানুষের খাদ্যের জোগান দিতে পারত, তা-ই হয়তো আটকে থাকবে। কৃষকেরা এ মৌসুমের ফসল বিক্রি করতে না পারলে পরবর্তী মৌসুমে বীজ বপনের জন্য তাঁদের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ থাকবে না। এতে ভবিষ্যৎ উৎপাদন কমবে এবং সংকট আগামী বছরেও ছড়িয়ে পড়বে।&

চিত্রা পোস্ট সম্পাদকীয় পরিষদ
প্রকাশ:শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ভোর ৫:২০(১ ঘণ্টা আগে)
২ মিনিট পাঠ
সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট:
ছবি: চিত্রা পোস্ট অনলাইন ডেস্ক
বিনোদন
বড় করে দেখুন
ছবি: চিত্রা পোস্ট অনলাইন ডেস্কচিত্রা পোস্ট ভেরিফাইড

বিশ্বের ৭ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ যখন ক্ষুধার মুখে, তখন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শস্য পরিবহন পথ আবারও হামলার শিকার হচ্ছে। কৃষিপণ্য রপ্তানির জন্য কৃষ্ণসাগর, দানিয়ুব নদী ও স্থলপথ ব্যবহার করে ইউক্রেন। রাশিয়া এসব পথে ইউক্রেনের খাদ্য রপ্তানির সক্ষমতা বাধাগ্রস্ত করছে। দেশটির বন্দর, গুদাম, অভ্যন্তরীণ পরিবহনব্যবস্থা, পণ্যবাহী জাহাজ ও কৃষি অবকাঠামোয় পরিকল্পিত হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও সারের বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।  এটি অর্থনৈতিক ও মানবিক বাস্তবতা। ইউক্রেন থেকে শস্য রপ্তানি বন্ধ হলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমে যায়, দাম বাড়ে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলো।  এ বছরের আগস্টে ইউক্রেনে ফসল কাটার মৌসুম শুরু হওয়ার পর পরিবহন পথ ও রপ্তানি স্থাপনায় হামলার কারণে শস্য, তৈলবীজ ও অন্যান্য কৃষিপণ্য দেশের ভেতরেই আটকে পড়ে। সারশিল্পকে না বাঁচালে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না ২০২৫ সালের আগস্টের তুলনায় চলতি বছরের আগস্টে দেশটির শস্য রপ্তানি অর্ধেকে নেমে এসেছে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।  অক্টোবরের মধ্যে ইউক্রেনে কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জায়গার সংকট দেখা দিতে পারে। নভেম্বর নাগাদ শস্য, তৈলবীজ ও প্রক্রিয়াজাত পশুখাদ্যসহ ৯০ লাখ টনের বেশি কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জায়গার অভাবে বাইরে পড়ে থাকতে পারে। যে ফসল লাখ লাখ মানুষের খাদ্যের জোগান দিতে পারত, তা-ই হয়তো আটকে থাকবে। কৃষকেরা এ মৌসুমের ফসল বিক্রি করতে না পারলে পরবর্তী মৌসুমে বীজ বপনের জন্য তাঁদের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ থাকবে না। এতে ভবিষ্যৎ উৎপাদন কমবে এবং সংকট আগামী বছরেও ছড়িয়ে পড়বে।&

সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট: