শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ভোর ১২:৪১ভিডিও
পছন্দের টপিক পিন করে সাজিয়ে নিন

অভাব ঘোচাতে বিদেশে গিয়ে ফিরলেন কফিনবন্দী হয়ে, মা–বাবার স্বপ্ন শেষ

সংসারের অভাব ঘোচাতে একমাত্র ছেলে মনিরুল ইসলামকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন মা-বাবা। মালয়েশিয়ায় থাকা ছেলের পাঠানো সামান্য টাকায় কোনোমতে চলছিল চার সদস্যের পরিবার। তাঁদের স্বপ্ন ছিল, ছেলের উপার্জন বাড়বে, বেশি করে টাকা পাঠাবে। সংসারে ফিরবে সচ্ছলতা; কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। কফিনবন্দি হয়ে বাড়ি ফিরলেন মনিরুল। শুক্রবার সকালে মনিরুলের (২৪) মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা-বাবা। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে তাঁদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে বাড়ির পরিবেশ। মনিরুল রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের কুমারগাড়ী চন্দ্রকোনা গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে। এক ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে মনিরুল ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান। পরিবারের আর্থিক অনটন দূর করতে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ধারদেনা করে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয় তাঁকে। এরপর তাঁর পাঠানো টাকায় কোনোমতে চলত সংসারের খরচ। তাঁকে ঘিরেই ছিল মা-বাবার স্বপ্ন, ভরসা আর ভবিষ্যতের আশা। পরিবারের সদস্যরা জানান, ১৫ অক্টোবর মালয়েশিয়া থেকে মনিরুলের মৃত্যুর খবর পান তাঁরা। তবে কীভাবে, কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাননি স্বজনেরা। তাঁদের কাছে জানানো হয়েছে, রাতে ঘুমানোর পর সকালে আর ঘুম থেকে ওঠেননি মনিরুল। পরে তাঁকে সেখানকার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে দিশাহারা বাবা ইয়াসিন আলী। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম, অনেক আশা নিয়ে নিজে নিঃস্ব হয়ে। ভাবছিলাম, টাকা রোজগার করবে, যেন সংসারটা ভালোভাবে চলে। সব আশা-স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। ও (মনিরুল) ছিল আমার সংসারের একমাত্র ভরসা। কপালপোড়া সংসার আমার। এখন কী হবে?’ মালয়েশিয়া থেকে লাশ হয়ে ফেরা মনিরুল ইসলামের বাড়িতে স্বজনদের ভিড় একম

স্ব
প্রকাশ:শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১০:৫৪(১ ঘণ্টা আগে)
২ মিনিট পাঠ
সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট:
ছবি: চিত্রা পোস্ট স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
স্বাস্থ্য
বড় করে দেখুন
ছবি: চিত্রা পোস্ট স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্কচিত্রা পোস্ট ভেরিফাইড

সংসারের অভাব ঘোচাতে একমাত্র ছেলে মনিরুল ইসলামকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন মা-বাবা। মালয়েশিয়ায় থাকা ছেলের পাঠানো সামান্য টাকায় কোনোমতে চলছিল চার সদস্যের পরিবার। তাঁদের স্বপ্ন ছিল, ছেলের উপার্জন বাড়বে, বেশি করে টাকা পাঠাবে। সংসারে ফিরবে সচ্ছলতা; কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। কফিনবন্দি হয়ে বাড়ি ফিরলেন মনিরুল। শুক্রবার সকালে মনিরুলের (২৪) মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা-বাবা। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে তাঁদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে বাড়ির পরিবেশ। মনিরুল রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের কুমারগাড়ী চন্দ্রকোনা গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে। এক ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে মনিরুল ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তান। পরিবারের আর্থিক অনটন দূর করতে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ধারদেনা করে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয় তাঁকে। এরপর তাঁর পাঠানো টাকায় কোনোমতে চলত সংসারের খরচ। তাঁকে ঘিরেই ছিল মা-বাবার স্বপ্ন, ভরসা আর ভবিষ্যতের আশা। পরিবারের সদস্যরা জানান, ১৫ অক্টোবর মালয়েশিয়া থেকে মনিরুলের মৃত্যুর খবর পান তাঁরা। তবে কীভাবে, কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাননি স্বজনেরা। তাঁদের কাছে জানানো হয়েছে, রাতে ঘুমানোর পর সকালে আর ঘুম থেকে ওঠেননি মনিরুল। পরে তাঁকে সেখানকার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে দিশাহারা বাবা ইয়াসিন আলী। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম, অনেক আশা নিয়ে নিজে নিঃস্ব হয়ে। ভাবছিলাম, টাকা রোজগার করবে, যেন সংসারটা ভালোভাবে চলে। সব আশা-স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। ও (মনিরুল) ছিল আমার সংসারের একমাত্র ভরসা। কপালপোড়া সংসার আমার। এখন কী হবে?’ মালয়েশিয়া থেকে লাশ হয়ে ফেরা মনিরুল ইসলামের বাড়িতে স্বজনদের ভিড় একম

সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট: