বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২:৪৬ভিডিও
পছন্দের টপিক পিন করে সাজিয়ে নিন

রাতে হামলা, সকালে কাশবনে মেয়ের লাশ, দুপুরে বাবার মৃত্যু

বাবার সঙ্গে দাদার বাড়ি থেকে রাতে নানার বাড়ি যাচ্ছিল চার বছরের ছোট্ট তোয়াবা। পথে তাঁদের ওপর হামলা হলে বাবা–মেয়ে আলাদা হয়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় কোনো রকমে বাড়ি ফেরেন বাবা। তবে পাওয়া যাচ্ছিল না শিশু তোয়াবাকে। গতকাল বুধবার রাতের এ ঘটনার পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে শিশুটির লাশ পাওয়া গেছে এলাকার কাশবনে। আর দুপুরে হাসপাতালে মারা গেছেন বাবা। গতকাল রাতে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রামকৃষ্ণদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আজ সকাল নয়টার দিকে ওই গ্রামের একটি ইটভাটার পাশে কাশবন থেকে শিশু তোয়াবার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অন্যদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুরে শিশুটির বাবা গোলাপ হোসেনের মৃত্যু হয়। হাসু বেগম, নিহত গোলাপ হোসেনের মা আমার ছেলে নাতনিকে নিয়ে বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিল, তখন সোহরাব দলবল নিয়ে হামলা করে ওদের দুজনকে কুপিয়েছে। সামান্য জমির জন্য তারা আমার ছেলে ও নাতনিকে কুপিয়ে মেরেছে। আমি এর বিচার চাই। নিহত গোলাপ হোসেন (৩২) সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে। স্ত্রী–সন্তানকে নিয়ে তিনি একই ইউনিয়নের দোসরপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। জমিজমার বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন বাবা–মেয়েকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেন স্বজনেরা। এ ঘটনায় একজনকে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। কামরান হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মুন্সিগঞ্জ গোলাপ বেঁচে থাকা অবস্থায় হামলায় সোহরাবসহ কয়েকজনের জড়িত থাকার কথা জানিয়ে গেছেন। সোহরাবকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশ ও নিহত গোলাপের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গোলাপ হোসেন বিয়ে করেছিলেন খালাতো বোনকে। তাঁর শ্বশুরবাড়ি ও নানার বাড়ি

স্ব
প্রকাশ:বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৪৯(২ ঘণ্টা আগে)
আপডেট:বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১১:১৩
২ মিনিট পাঠ
সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট:
ছবি: চিত্রা পোস্ট স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
স্বাস্থ্য
বড় করে দেখুন
ছবি: চিত্রা পোস্ট স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্কচিত্রা পোস্ট ভেরিফাইড

বাবার সঙ্গে দাদার বাড়ি থেকে রাতে নানার বাড়ি যাচ্ছিল চার বছরের ছোট্ট তোয়াবা। পথে তাঁদের ওপর হামলা হলে বাবা–মেয়ে আলাদা হয়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় কোনো রকমে বাড়ি ফেরেন বাবা। তবে পাওয়া যাচ্ছিল না শিশু তোয়াবাকে। গতকাল বুধবার রাতের এ ঘটনার পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে শিশুটির লাশ পাওয়া গেছে এলাকার কাশবনে। আর দুপুরে হাসপাতালে মারা গেছেন বাবা। গতকাল রাতে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রামকৃষ্ণদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আজ সকাল নয়টার দিকে ওই গ্রামের একটি ইটভাটার পাশে কাশবন থেকে শিশু তোয়াবার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অন্যদিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ দুপুরে শিশুটির বাবা গোলাপ হোসেনের মৃত্যু হয়। হাসু বেগম, নিহত গোলাপ হোসেনের মা আমার ছেলে নাতনিকে নিয়ে বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিল, তখন সোহরাব দলবল নিয়ে হামলা করে ওদের দুজনকে কুপিয়েছে। সামান্য জমির জন্য তারা আমার ছেলে ও নাতনিকে কুপিয়ে মেরেছে। আমি এর বিচার চাই। নিহত গোলাপ হোসেন (৩২) সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে। স্ত্রী–সন্তানকে নিয়ে তিনি একই ইউনিয়নের দোসরপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। জমিজমার বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন বাবা–মেয়েকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেন স্বজনেরা। এ ঘটনায় একজনকে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। কামরান হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মুন্সিগঞ্জ গোলাপ বেঁচে থাকা অবস্থায় হামলায় সোহরাবসহ কয়েকজনের জড়িত থাকার কথা জানিয়ে গেছেন। সোহরাবকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশ ও নিহত গোলাপের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গোলাপ হোসেন বিয়ে করেছিলেন খালাতো বোনকে। তাঁর শ্বশুরবাড়ি ও নানার বাড়ি

সংবাদটি শুনুনস্বয়ংক্রিয় এআই অডিও রিডার
শেয়ার:
ফন্ট: